বাক্য সংক্ষেপণ/সংকোচন/এক কথায় প্রকাশ
একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হলে, তাকে বাক্য সংক্ষেপণ বলে। এটি বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশেরই নামান্তর। বাক্য তথা ভাষাকে সুন্দর, সাবলীল ও ভাষার অর্থ প্রকাশের দীপ্তিকে সমুজ্জ্বল করার জন্য বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ অতীব গুরুত্বপূর্ণ। বহুপদকে একপদে পরিণত করার মধ্য দিয়ে বাক্য বা বাক্যাংশের সংকোচনের কাজ চলে।
ডাক | ||
| অশ্বের ডাক: হেষা | কোকিলের ডাক: কুহু | কুকুরের ডাক: বুক্কন |
| পাখির ডাক: কূজন / কাকলি | পেঁচা বা উল্লুকের ডাক: ঘৃৎকার | বাঘের ডাক: গর্জন |
| ময়ূরের ডাক: কেকা | মোরগের ডাক: শকুনিবাদ | রাজহাঁসের কর্কশ ডাক: ক্রেঙ্কার |
| সিংহের নাদ / ডাক: হুংকার | হাতির ডাক: বৃংহিত / বৃংহণ | |
ধ্বনি | ||
| অলংকারের ধ্বনি: শিঞ্জন | অব্যক্ত মধুর ধ্বনি: কলতান | আনন্দজনক ধ্বনি: নন্দিঘোষ |
| গম্ভীর ধ্বনি: মন্দ্র | ঝনঝন শব্দ : ঝনৎকার | আনন্দের আতিশয্যে সৃষ্ট কোলাহল: হর্রা |
| ধনুকের ধ্বনি: টংকার | বীরের গর্জন: হুংকার | বিহঙ্গের ধ্বনি: কাকলি |
| বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি: ঝংকার | ভ্রমরের শব্দ: গুঞ্জন | শুকনো পাতার শব্দ: মর্মর |
| সেতারের ঝংকার: কিঙ্কিনি | সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ: কল্লোল | |
খোলস / চামড়া / শাবক | ||
| বাঘের চামড়া: কৃত্তি | ব্যাঙের ছানা: ব্যাঙাচি | সাপের খোলস: নির্মোক / কুঞ্চক |
| হাতির শাবক (বাচ্চা): করভ | হরিণের চর্ম/ চামড়া: অজিন | হরিণের চামড়ার আসন: অজিনাসন |
ইচ্ছা | ||
| অনুকরণ করার ইচ্ছা: অনুচিকীর্ষা | অনুসন্ধান করার ইচ্ছা: অনুসন্ধিৎসা | অপকার করার ইচ্ছা: অপচিকীর্ষা |
| উপকার করার ইচ্ছা: উপচিকীর্ষা | উদক / জল পানের ইচ্ছা: উদন্যা | কুৎসা বা অপবাদ রটানোর ইচ্ছা- জুগুপ্সা |
| করার ইচ্ছা: চিকীর্ষা | ক্ষমা করার ইচ্ছা: চিক্ষমিষা | গোপন করার ইচ্ছা: জুগুপ্সু |
| খাইবার ইচ্ছা: ক্ষুধা | গমন করার ইচ্ছা: জিগমিষা | জানবার ইচ্ছা: জিজ্ঞাসা |
| জয় করার ইচ্ছা: জিগীষা | ত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা: তিতীর্ষা | দান করার ইচ্ছা: দিৎসা |
| দেখবার ইচ্ছা: দিদৃক্ষা | নিন্দা করার ইচ্ছা: জুগুপ্সা | নির্মাণ করার ইচ্ছা: নির্মিৎসা |
| প্রবেশ করার ইচ্ছা: বিবিক্ষা | প্রতিকার করার ইচ্ছা: প্রতিচিকীর্ষা | পান করার ইচ্ছা: পিপাসা |
| প্রতিবিধান করার ইচ্ছা: প্রতিবিধিৎসা | পাওয়ার ইচ্ছা: ঈপ্সা | প্রিয় কাজ করার ইচ্ছা: প্রিয়চিকীর্ষা |
| বলার ইচ্ছা: বিবক্ষা | বিজয় লাভের ইচ্ছা: বিজিগীষা | বাস করার ইচ্ছা: বিবৎসা |
| বমন করিবার ইচ্ছা: বিবমিষা | বেঁচে থাকার ইচ্ছা: জিজীবিষা | ভোজন করার ইচ্ছা: বুভুক্ষা |
| মুক্তি লাভে/পেতে ইচ্ছুক: মুমুক্ষু | মুক্তি পেতে ইচ্ছা: মুমুক্ষা | মুক্তি পাওয়ার ইচ্ছা: মুক্তিকামী |
| যেরূপ ইচ্ছা: যদৃচ্ছা | যে রূপ করার ইচ্ছা: যদৃচ্ছা | রমণ বা সঙ্গমের ইচ্ছা: রিরংসা |
| লাভ করার ইচ্ছা: লিপ্সা | সেবা করার ইচ্ছা: শুশ্রূষা | সৃষ্টি করার ইচ্ছা: সিসৃক্ষা |
| হিত করার ইচ্ছা: হিতৈষা | হরণ করার ইচ্ছা: জিহীর্ষা | হনন / হত্যা করার ইচ্ছা: জিঘাংসা |
পুরুষ | ||
| পুরুষের কর্ণভূষণ: বীরবৌলি | পুরুষের উদ্দাম নৃত্য: তাণ্ডব | পুরুষের কটিবন্ধ: সরাসন |
| যে দার (স্ত্রী) পরিগ্রহ করেনি: অকৃতদার | যে পুরুষ বিয়ে করেনি: অকৃতদার | যে দার (স্ত্রী) পরিগ্রহ করেছে: কৃতদার |
| যে পুরুষ বিয়ে করেছে: কৃতদার | যে পুরুষ স্ত্রীর বশীভূত: স্ত্রৈণ | যে পুরুষের চেহারা দেখতে সুন্দর: সুদর্শন |
| যে পুরুষ পত্নীসহ বর্তমান: সপত্নীক | যে পুত্রের মাতা কুমারী: কানীন | যে পুরুষের দাড়ি গোঁফ গজায়নি: অজাতশ্মশ্রু |
| যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে: প্রোষিতপত্নীক / প্রোষিতভার্য | ||
| যে পুরুষ প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকতে দ্বিতীয় দার (স্ত্রী) পরিগ্রহ করেছে: অধিবেত্তা / অধিবেদন | ||
নারী | ||
| কুমারীর পুত্র: কানীন | নারীর কটিভূষণ: রশনা | নারীর কোমরবেষ্টনিভূষণ: মেখলা |
| নারীর লীলাময়ী নৃত্য: লাস্য | প্রিয় বাক্য বলে যে: প্রিয়ভাষী | যে নারী প্রিয় কথা বলে: প্রিয়ংবদা |
| যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত: অবীরা | যে নারী সুন্দরী: রমা | যে নারী অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা: মহাশ্বেতা |
| যে নারীর বিয়ে হয়নি: কুমারী | যে নারী বীর: বীরাঙ্গনা | যে নারীর পতি নেই, পুত্রও নেই: অবীরা |
| যে নারী বার (সমূহ) গামিনী : বারাঙ্গনা | যে নারীর পঞ্চ স্বামী: পঞ্চভর্তৃকা | যে নারীর দুটি মাত্র পুত্র: দ্বিপুত্রিকা |
| যে নারী কলহপ্রিয়: খাপ্তানী | যে মেয়ের বয়স দশ বৎসর : কন্যকা | যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত: শুচিস্মিতা |
| যে নারীর হাসি সুন্দর: সুস্মিতা | যে নারীর বিয়ে হয় না: অনূঢ়া | যে নারীর বিয়ে হয়েছে: ঊঢ়া |
| যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে: বীরপ্রসূ | যে নারীর সন্তান বাঁচে না: মৃতবৎসা | যে নারীর অসূয়া / হিংসা নাই: অনসূয়া |
| যে নারী আনন্দ দান করে: বিনোদিনী | যে নারীর সতীন / শত্রু নেই: নিঃসপ্ত | যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে: নবোঢ়া |
| যে নারীর কোনো সন্তান হয় না: বন্ধ্যা | যে নারীর দেহ সৌষ্ঠব সম্পন্না: অঙ্গনা | যে নারীর সহবাসে মৃত্যু হয় : বিষকন্যকা |
| যে নারী সাগরে বিচরণ করে: সাগরিকা | যে নারী (বা গাভী) দুগ্ধবতী: পয়স্বিনী | অঘটন কাণ্ড ঘটাইতে অতিশয় পারদর্শী যে নারী: অঘটনঘটনপটিয়সী |
| উত্তম বস্ত্রালঙ্কারে সুসজ্জিত নটীগণর নৃত্য: যৌবত | যে নারী শিশুসন্তানসহ বিধবা: বালপুত্রিকা | অবিবাহিতা জ্যেষ্ঠা থাকার পরও যে কনিষ্ঠার বিয়ে হয়: অগ্রোদিধিষু |
| যে নারীর চিত্রে অর্পিতা বা নিবন্ধা: চিত্রার্পিতা | যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় : স্বয়ংবরা | যে নারী (বিবাহিত / অবিবাহিত) চিরকাল পিতৃগৃহবাসিনী: চিরণ্টা |
| যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত: বীরা / পুরন্ধ্রী | যে নারীর নখ শূর্পের (কুলা) মত: শূর্পণখা | যে নারী কখনো সূর্যকে দেখেনি: অসূর্যম্পশ্যা |
| যে নারী অঘটন ঘটাতে পারদর্শী: অঘটনঘটনপটিয়সী | যে নারী অপরের দ্বারা প্রতিপালিতা : পরভৃতা / পরভূতিকা | যে নারীর সূর্যও মুখ দেখতে পারে না: অসূর্যম্পশ্যা |
| যে নারী অন্য কারও প্রতি আসক্ত হয় না: অনন্যা | যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে: কাকবন্ধ্যা | যে নারীর স্বামী বিদেশে থাকে: প্রোষিতভর্তৃকা |
| যে নারী পূর্বে অন্যের স্ত্রী / বাগদত্তা ছিল: অন্যপূর্বা | যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছে: অধিবিন্না | |
পত্নী | ||
| একই স্বামীর পত্নী যাহারা: সপত্নী | পত্নীসহ বর্তমান: সপত্নীক | যার স্ত্রী মারা গিয়েছে: বিপত্নীক |
কষ্টকর / সহজে না | ||
| যা কষ্টে নিবারণ করা যায়: দুর্নিবার | যা দমন করা কষ্টকর: দুর্দমনীয় | যা সহজে পাওয়া যায় না: দুষ্প্রাপ্য |
| যা সহ্য করা যায় না: দুর্বিষহ | যা সহজে দমন কর যায় না: দুর্দম | যা কষ্টে জয় করা যায়: দুর্জয় |
| যা সহজে মরে না: দুর্মর | যা কষ্টে অর্জন করা যায়: কষ্টার্জিত | যাহাতে সহজে গমন করা যায় না: দুর্গম |
| যাহা সহজে লঙ্ঘন করা যায় না: দুর্লঙ্ঘ্য | যা মুছে ফেলা যায় না: দুর্মোচ্য | যা সহজে অতিক্রম করা যায় না: দুরতিক্রম্য |
| যা কষ্টে লাভ করা যায়: দুর্লভ | যা সহজে জানা যায় না: দুর্জেয় | যাহা সহজে উত্তীর্ণ হওয়া যায় না: দুস্তর |
| যা কষ্টে অতিক্রম করা যায় না: দুরতিক্রম্য | ||
যোগ্য | ||
| আরাধনা করিবার যোগ্য: আরাধ্য | ক্ষমার যোগ্য: ক্ষমার্হ | ঘৃণার যোগ্য: ঘৃণার্হ / ঘৃণ্য |
| ঘ্রাণের যোগ্য: ঘেয় | ক্ষমার অযোগ্য: ক্ষমার্য | জানিবার যোগ্য: জ্ঞাতব্য |
| ধন্যবাদের যোগ্য: ধন্যবাদার্হ | নৌ চলাচলের যোগ্য: নাব্য | প্রশংসার যোগ্য: প্রশংসার্হ |
| ফেলে দেবার যোগ্য: ফেল্না | বরণ করিবার যোগ্য: বরেণ্য | মান-সম্মান প্রাপ্তির যোগ্য: মাননীয় |
| যা চুষে খাবার যোগ্য: চুষ্য | যা চেটে খাবার যোগ্য: লেহ্য | যা চিবিয়ে খাবার যোগ্য: চর্ব্য |
| যা পান করার যোগ্য: পেয় | যা ক্রয় করার যোগ্য: ক্রেয় | যা বিক্রয় করার যোগ্য: বিক্রেয় |
| যা পাঠ করিবার যোগ্য: পাঠ্য | যা খাওয়ার যোগ্য: খাদ্য | রন্ধনের যোগ্য: পাচ্য |
| যা নিন্দার যোগ্য নয়: অনিন্দ্য | যা অন্তরে ঈক্ষণ যোগ্য: অন্তরিক্ষ | স্মরণের যোগ্য: স্মরণার্হ |
উপকার | ||
| যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে: কৃতজ্ঞ | উপকারীর অপকার করে যে : কৃতঘ্ন | যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না: অকৃতজ্ঞ |
বলা | ||
| যা বলা হয়নি: অনুক্ত | যা বলা হয়েছে: উক্ত | যা বলা হবে: বক্তব্য |
| যা বলা উচিত নয়: অকথ্য | যা বলা হচ্ছে: বক্ষ্যমাণ | যা প্রকাশ করা হয়নি: অব্যক্ত |
কথা | ||
| যে বেশি কথা বলে: বাচাল | যিনি কম কথা বলেন: স্বল্পভাষী | যা কথায় বর্ণনা করা যায় না: অবর্ণনীয় |
| যিনি অধিক কথা বলেন না: মিতভাষী | যা বাক্যে প্রকাশ করা যায় না: অনির্বচনীয় | |
ভবিষ্যৎ | ||
| যা হবে: ভাবি | যা ভবিষ্যতে ঘটবে: ভবিতব্য | যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না: অপরিণামদর্শী |
| যে ভবিষ্যত না ভেবেই কাজ করে: অবিমৃষ্যকারী | অগ্র-পশ্চাৎ বিবেচনা করে কাজ করে না: অবিমৃষ্যকারী | |
নাই / যায় না | ||
| কষ্টে করা যায় যাহা: কষ্টকর | যা জয় করা যায় না: অজয় | কোনোভাবেই যা নিবারণ করা যায় না: অনিবার্য |
| যা প্রতিরোধ করা যায় না: অপ্রতিরোধ্য | যা অতিক্রম করা যায় না: অনতিক্রম্য | যার ঈহা (চেষ্টা) নাই: নিরীহ |
| যাহাতে গমন করা যায় না: অগম্য | যা নিবারণ করা যায় না: অনিবারিত | যা মূল্য দিয়ে বিচার করা যায় না: অমূল্য |
অক্ষি/চক্ষু | ||
| অক্ষির অগোচরে: পরোক্ষ | অক্ষির সমীপে: সমক্ষ | অক্ষিতে কাম যার (যে নারীর): কামাক্ষী |
| অক্ষির অভিমুখে: প্রত্যক্ষ | চোখের কোণ: অপাঙ্গ | চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত: চাক্ষুষ |
| চোখের নিমেষ না ফেলিয়া: অনিমেষ | চোখে দেখা যায় এমন: চক্ষুগোচর | পদ্মের ন্যায় অক্ষি বা চোখ: পুণ্ডরীকাক্ষ |
| যার চক্ষু লজ্জা নেই: নির্লজ্জ / চশমখোর | অক্ষিপত্রের (চোখের পাতা) লোম: অক্ষিপক্ষ | |
জন্ম | ||
| অগ্রে জন্মেছে যে : অগ্রজ | জন্মে নাই যা: অজ | অনুতে বা পশ্চাতে / জন্মেছে যে : অনুজ |
| দুবার জন্মে যা: দ্বিজ | পড়ে জন্মে যা: পঙ্কজ | পূর্বজন্মের কথা স্মরণ আছে যার: জাতিস্মর |
| যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না: ঊষর | যে জমির উৎপাদন শক্তি নেই: অনুর্বর | যে সমাজের (বর্ণের) অন্তদেশে জন্মে : অন্ত্যজ |
| শুভক্ষণে জন্ম যার: ক্ষণজন্মা | সরোবরে জন্মায় যা: সরোজ | যে জমিতে দুবার ফসল জন্মে : দো-ফসলি |
| যে শিশু আটমাসে জন্মগ্রহণ করেছে: আটাসে | পিতার মৃত্যুর পর জন্ম হয়েছে যে সন্তানের: মরণোত্তর জাতক | |
জয়ন্তী | |
| কোনো ঘটনার ৬০ বছর পূর্তিতে অনুষ্ঠান: হীরক জয়ন্তী | জয়সূচক যে উৎসব: জয়ন্তী |
| কেনো ঘটনার ৫০ বছর পূর্তিতে যে অনুষ্ঠান: সুবর্ণ জয়ন্তী | একশত পঞ্চাশ বছর: সার্ধশতবর্ষ |
| কোনো ঘটনার ২৫ বছর পূর্তিতে যে অনুষ্ঠান: রজত জয়ন্তী | জয়ের জন্য যে উৎসব: জয়ন্তী |
দিন | ||
| দিনের সায় (অবসান) ভাগ: সায়াহ্ন | দিন ও রাতের সন্ধিক্ষণ: গোধূলি | দিনের মধ্য ভাগ: মধ্যাহ্ন |
| প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন : প্রভাতকল্প | দিনের পূর্ব ভাগ: পূর্বাহ্ণ | দিনের অপর ভাগ: অপরাহ্ণ |
| দিনের আলো ও সন্ধ্যার আলোর মিলন: গোধূলি | ||
রাত | ||
| গভীর রাত্রি: নিশীথ | রাত্রির প্রথম ভাগ: পূর্বরাত্র | রাত্রির মধ্য ভাগ: মহানিশা |
| রাতের শিশির: শবনম | রাত্রির শেষ ভাগ: পররাত্র | রাত্রিকালীন যুদ্ধ: সৌপ্তিক |
| রাত্রির তিন ভাগ একত্রে: ত্রিযামা | ||
স্থায়ী | ||
| ঘর নাই যার: হা-ঘরে | ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী: ক্ষণস্থায়ী | নষ্ট হওয়াই স্বভাব নয় যার: অবিনশ্বর |
| নষ্ট হওয়ার স্বভাব যার: নশ্বর | যা কখনো নষ্ট হয় না: অবিনশ্বর | যে বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে: উদ্বাস্ত |
| যার বাসস্থান নেই: অনিকেত | যা চিরস্থায়ী নয়: নশ্বর | স্থায়ী ঠিকানা নেই যার: উদ্বাস্তু |
| যা স্থায়ী নয়: অস্থায়ী | যার জ্যোতি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয় না: ক্ষণপ্রভা | |
রাত | ||
| গভীর রাত্রি: নিশীথ | রাত্রির প্রথম ভাগ: পূর্বরাত্র | রাত্রির মধ্য ভাগ: মহানিশা |
| রাতের শিশির: শবনম | রাত্রির শেষ ভাগ: পররাত্র | রাত্রিকালীন যুদ্ধ: সৌপ্তিক |
| রাত্রির তিন ভাগ একত্রে: ত্রিযামা | ||
পূর্বে | ||
| যা পূর্বে কখনো ঘটেনি: অভূতপূর্ব | যা পূর্বে শোনা যায়নি: অশ্রুতপূর্ব | যা পূর্বে ছিল এখন নেই: ভূতপূর্ব |
| যা পূর্বে দেখা যায়নি: অদৃষ্টপূর্ব | যা পূর্বে চিন্তা করা যায়নি: অচিন্তিতপূর্ব | যা পূর্বে কখনো আস্বাদিত হয় নাই: অনাস্বাদিতপূর্ব |
রচনা | ||
| ইতিহাস রচনা করেন যিনি: ঐতিহাসিক | ব্যাকরণে পণ্ডিত যিনি: বৈয়াকরণ | ইতিহাস বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি : ইতিহাসবেত্তা |
| যিনি ভালো ব্যাকরণ জানেন: বৈয়াকরণ | যিনি স্মৃতিশাস্ত্র জানেন: স্মার্ত | যিনি ব্যাকরণ রচনা করেন: ব্যাকরণবিদ |
| স্মৃতিশাস্ত্রে পণ্ডিত যিনি : শাস্ত্রজ্ঞ | স্মৃতিশাস্ত্র রচনা করেন যিনি: শাস্ত্রকার | |
গাছ | |
| একবার ফল দিয়ে যে গাছ মারা যায় : ওষধি | ফল পাকলে যে গাছ মারা যায়: ওষধি |
| যে গাছ কোনো কাজে লাগে না: আগাছা | যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না: বনস্পতি |
| যে গাছ থেকে ঔষধ তৈরি হয়: ঔষধি | যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে : পরগাছা |
একই | ||
| একই গুরুর শিষ্য যারা: সতীর্থ | একই সময়ে: যুগপৎ | একই বিষয়ে চিত্ত নিবিষ্ট যাহার: নিবিষ্টচিত্ত |
| একই সময়ে বর্তমান: সমসাময়িক | একই মাতার উদরে জাত যারা সহোদর | |
একই | ||
| একই গুরুর শিষ্য যারা: সতীর্থ | একই সময়ে: যুগপৎ | একই বিষয়ে চিত্ত নিবিষ্ট যাহার: নিবিষ্টচিত্ত |
| একই সময়ে বর্তমান: সমসাময়িক | একই মাতার উদরে জাত যারা সহোদর | |
পর | ||
| পরকে আশ্রয় করিয়া বাঁচিয়া থাকে যে: পরজীবী | পরের অন্নে যে জীবন ধারণ করিয়া থাকে: পরান্নজীবী | পরের দ্বারা প্রতিপালিত যে: পরভূত (কোকিল) |
| পরের শ্রী (উন্নতি) দেখিয়া যাহার মন খারাপ হয়: পরশ্রীকাতর | পরকে প্রতিপালন করে যে: পরভৃৎ (কাক) | |
আপনা | ||
| আপনাকে হত্যা করে যে : আত্মঘাতী | আপনাকে ভুলে থাকে যে : আত্মভোলা | আপনার বর্ণ লুকায় যে : বর্ণচোরা |
| আত্মার সম্বন্ধীয় বিষয়: আধ্যাত্মিক | আপনাকে কেন্দ্র করে যার চিন্তা: আত্মকেন্দ্রিক | আপনাকে যে পণ্ডিত মনে করে : পণ্ডিতম্মন্য |
| আত্মিক আপনাকে সর্বস্ব ভাবে যে : আত্মসর্বস্ব | আপনাকে অত্যন্ত হীন বলিয়া ভাবে যে : হীনমন্য | যে আপনাকে কৃতার্থ মনে করে: কৃতার্থম্মন্য |
| যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না: বর্ণচোরা | ||
মৃত | ||
| জীবিত থেকেও যে মৃত: জীবন্মৃত | মৃতের মত অবস্থা যার: মুমূর্ষু | মরিবেই যাহা: মরণশীল |
| মৃত জীবজন্তু ফেলা হয় যেখানে: ভাগাড় | ||
সমস্ত / সব | ||
| বিশ্বজনের হিতকর: বিশ্বজনীন | যিনি সব কিছুই জানেন: সর্বজ্ঞ | যিনি সর্বত্র ব্যাপিয়া থাকেন: সর্বব্যাপক |
| সমস্ত পদার্থ ভক্ষণ করে যে: সর্বভুক | সকলের জন্য প্রযোজ্য: সর্বজনীন | সর্বজনের হিতকর: সর্বজনীন |
| সকলের জন্য মঙ্গলকর: সর্বজনীন | সর্বজন সম্বন্ধীয়: সার্বজনীন | সকলের জন্য অনুষ্ঠিত: সার্বজনীন |
| সবকিছু গ্রাস করে যে: সর্বগ্রাসী | ||
ব্যয় | ||
| আয় অনুসারে ব্যয় করেন যিনি: মিতব্যয়ী | যে ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করে: কৃপণ | যা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয় : ব্যয়বহুল |
| আয় অনুসারে ব্যয় করেন না যিনি : অমিতব্যয়ী | যে অধিক ব্যয় করতে কুণ্ঠাবোধ করে: ব্যয়কুন্ঠ | |
তুল্য | ||
| আমার তুল্য (সদৃশ): মাদৃশ | ইহার তুল্য: ঈদৃশ | ঋষির তুল্য: ঋষিতুল্য |
| ঋষির ন্যায়: ঋষিকল্প | তার তুল্য: তাদৃশ | দেবতার তুল্য: দেবোপম |
জয় | ||
| ইন্দ্রকে জয় করেন যিনি: ইন্দ্রজিৎ | ইন্দ্রিয়কে জয় করেন যিনি: জিতেন্দ্রিয় | জয়ের জন্য যে উৎসব: জয়োৎসব |
| যা কষ্টে লাভ করা যায়: দুর্লভ | যা কষ্টে জয় করা যায়: দুর্জয় | শত্রুকে জয় করেন যিনি : শত্রুজিৎ / পরঞ্জয় |
ক্রম | ||
| এক থেকে শুরু করে ক্রমাগত: একাদিক্রমে | ক্রমকে বজায় রাখিয়া: যথাক্রমে | ক্রমে ক্রমে আসিয়াছে যাহা: ক্রমাগত |
| বিধিকে অতিক্রম না করে: যথাবিধি | যা ক্রমশ বিস্তীর্ণ হচ্ছে: ক্রমবিস্তার্যমান | যা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে: ক্রমবর্ধমান / বর্ধিষ্ণু |
| যা ক্রমশ ক্ষয়প্রাপ্ত হচ্ছে: ক্ষীয়মান | যা ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে : অপসৃয়মান | |
কুল | |
| কুলের কীর্তিতে কলঙ্ক লেপন করে যে: কুলাঙ্গার | কুলে কলঙ্ক লেপন করে যে : কুল কলঙ্ক |
| কুলের কীর্তি বর্ধনকারী যে সন্তান: কুলপ্রদীপ | কুলে বিশিষ্ট মর্যাদা আনয়ন করে যে : কুলতিলক |
গমন | ||
| ইতস্তত গমনশীল বা সঞ্চরণশীল: বিসপী | জলে ও স্থলে চরে যে : উভচর | আকাশে গমন / বিচরণ করে যে: বিহগ (পাখি) |
| বাহুতে ভর করে চলে যে: ভুজঙ্গ | বুকে হেঁটে গমন করে যে : উরগ (সাপ) | ত্বরিত গমন করতে পারে যে: তুরগ (ঘোড়া) |
| যে গমন করে না: নগ (পাহাড়) | যে পা দিয়ে চলে না: পন্নগ (সর্প) | যে উরস (বক্ষ) দিয়ে হাঁটে: উরগ (সর্প) |
| সর্বত্র গমন করে যে : সর্বগ | লাফিয়ে চলে যে: প্লবগ (ব্যাঙ / বানর) | যে ভুজের সাহায্যে (এঁকে বেঁকে) চলে: ভুজগ / ভুজঙ্গ (সর্প) |
পদ্ম | ||
| নীল বর্ণ পদ্ম: ইন্দিবর | পদ্মের ডাটা বা নাল: মৃণাল | পদ্মের ঝাড় বা মৃণালসমূহ: মৃণালিনী |
| রক্ত বর্ণ পদ্ম: কোকনদ | শ্বেত বর্ণ পদ্ম: পুণ্ডরীক | |
ক্ষুদ্র | ||
| ক্ষুদ্র গ্রাম: পল্লীগ্রাম | ক্ষুদ্র রথ: রথার্ভক | ক্ষুদ্র জাতীয় বকের শ্রেণি: বলাকা |
| ক্ষুদ্র প্রলয়: খণ্ডপ্রলয় | ক্ষুদ্র মৃৎপাত্র: ভাঁড় | ক্ষুদ্র ঢাক বা ঢাক জাতীয় বাদ্যযন্ত্র: নাকাড়া |
| ক্ষুদ্র নদী: সারণি | ক্ষুদ্র চিহ্ন: বিন্দু | ক্ষুদ্র নাটক: নাটিকা |
| ক্ষুদ্র বাগান: বাগিচা | ক্ষুদ্র নালা: নালি | ক্ষুদ্র প্রস্তরখণ্ড: নুড়ি |
| ক্ষুদ্র অঙ্গ: উপাঙ্গ | ক্ষুদ্র হাঁস: পাতিহাঁস | ক্ষুদ্র বা নিচু কাঠের আসন: পিড়ি |
| ক্ষুদ্র শিয়াল: খেঁকশিয়াল | ক্ষুদ্রকায় ঘোড়া: টাট্টু | ক্ষুদ্র লেবু: পাতিলেবু |
| ক্ষুদ্র কূপ: পাতকুয়া | ক্ষুদ্র লতা: লতিকা | ক্ষুদ্র গাছ: গাছড়া |
| ক্ষুদ্র রাজ: রাজড়া | ক্ষুদ্র ফোঁড়া: ফুসকুড়ি | |
হাত | ||
| হাতের কব্জি: মণিবন্ধ | হাতের তেলো বা তালু: করতল | হাতের চতুর্থ আঙুল: অনামিকা |
| হাতের দ্বিতীয় আঙুল: তর্জনী | হাতের তৃতীয় আঙুল: মধ্যমা | হাতের পঞ্চম আঙুল: কনিষ্ঠা |
| হাতের প্রথম আঙুল (বুড়ো আঙুল): অঙ্গুষ্ঠ | হাতের কব্জি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত: পাণি | |
বিবিধ বাক্য সংকোচন / সংক্ষেপণ
| অন্য ভাষায় রূপান্তর: অনুবাদ | অন্য ভাষায় রূপান্তরিত: অনূদিত | অন্য লিপিতে রূপান্তর: লিপ্যন্তর |
| অর্থ নাই যাহার: নিরর্থক | অনেকের মধ্যে একজন : অন্যতম | অনেকের মধ্যে প্রধান: শ্রেষ্ঠ |
| অহংকার নেই যার: নিরহংকার | অন্যদিকে মন যার: অন্যমনা | অরিকে / শত্রুকে দমন করে যে : অরিন্দম |
| অকালে পক্ক হয়েছে যা: অকালপক্ব | অরণ্যের অগ্নিকাণ্ড: দাবানল | অকালে উৎপন্ন কুমড়া: অকালকুষ্মাণ্ড |
| অসম সাহস যাহার: অসমসাহসিক | অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার: অনভিজ্ঞ | অতিশয় ঘটা বা জাঁকজমক: আড়ম্বর |
| অপর প্রান্তের হাসি: বক্রোষ্ঠিকা | অনশনে মৃত্যু: প্রায় | অভ্রান্ত জ্ঞান: প্রমা |
| অজকে (ছাগল) গ্রাস করে যা: অজগর | অন্য গতি নাই যার: অগত্যা | অন্ন-ব্যঞ্জন ছাড়া অন্য আহার্য: জলপান |
| অবজ্ঞায় নাক উঁচু করেন যিনি : উন্নাসিক | আদি নাই যাহার: অনাদি | আবক্ষ জলে নেমে স্নান: অবগাহন |
| আচরণে যার নিষ্ঠা আছে: নিষ্ঠাবান | আয়ুর পক্ষে হিতকর: আয়ুষ্য | আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার: আস্তিক |
| আকাশ ও পৃথিবী: ক্রন্দসী | স্বর্গ ও মর্ত্য: রোদসী | আকাশ ও পৃথিবীর অন্তরালোক: ক্রন্দসী |
| আচারে নিষ্ঠা আছে যার: আচারনিষ্ঠ | আশ্বিনমাসের পূর্ণিমা তিথি: কোজাগর | আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার: নাস্তিক |
| ইহলোক সম্পর্কিত: ইহলৌকিক | ইন্দ্রের অশ্ব: উচ্চৈঃশ্রবা | আকাশে (খ-তে) ওড়ে যে বাজি: খ-ধূপ |
| ঈষৎ কম্পিত: আধত | ঈষৎ আমিষ গন্ধ যার: আঁষটে | ইন্দ্রজাল / যাদু জানেন যিনি: ঐন্দ্রজালিক |
| ঈষৎ উষ্ণ: কবোষ্ণ | উচ্চস্থানে অবস্থিত ক্ষুদ্র কুটির: টঙ্গি | উপস্থিত বুদ্ধি আছে যার: প্রত্যুৎপন্নমতি |
| উপদেশ ছাড়া লব্ধ প্রথম জ্ঞান: উপজ্ঞা | এখনও যার বালকত্ব যায়নি: নাবালক | উদয় হইতেছে এমন : উড্ডীন / উড্ডীয়মান |
| এক বিষয়ে যার চিত্ত নিবিষ্ট: একাগ্রচিত্ত | এক বস্তুতে অন্য বস্তুর কল্পনা: অধ্যাস | ঐতিহাসিক কালেরও আগের: প্রাগৈতিহাসিক |
| কর দান করে যে : করদ | কামনা দূর হয়েছে যার: বীতকাম | কোথাও উঁচু কোথাও নিচু: বন্ধুর |
| ক্লান্তি নাই যার: অক্লান্ত | কর্মে যাহার ক্লান্তি নাই: অক্লান্তকর্মী | কাচের তৈরি বাড়ি: শিশমহল |
| খেয়া পার করে যে : পাটনী | গলায় কাপড় দিয়া: গলবস্ত্র | কাজে যার অভিজ্ঞতা আছে: করিতকর্মা |
| গাছে উঠতে পটু যে : গেছো | গ্রীবা সুন্দর যার: সুগ্রীব | গুরুর বাসগৃহ: গুরুকুল |
| গদ্যপদ্যময় কাব্য: চম্পু | গরুর খুরে চিহ্নিত স্থান: গোষ্পদ | ঘুমে আচ্ছন্ন যে: ঘুমন্ত / সুপ্ত |
| ঘরের অভাব: হা-ঘর | চিন্তার অতীত: চিন্তাতীত | চৈত্র মাসের ফসল: চৈতালি |
| ছল/ ছলনা করিয়া কান্না: মায়াকান্না | জ্বল জ্বল করছে যা: জাজ্বল্যমান | ঠিকমতো নাম-ধাম আছে যাহাতে: ঠিকানা |
| ঠেঙিয়ে ডাকাতি করে যারা: ঠ্যাঙারে | ঢাকায় উৎপন্ন: ঢাকাই | তল স্পর্শ করা যায় না যার: অতলস্পর্শী |
| তৃণাচ্ছাদিত ভূমি: শাদ্বল | দর্শন করা হয়েছে এমন: প্রেক্ষিত | তিন মোহনার মিলন যেখানে: ত্রিমোহনা |
| দেহ সম্বন্ধীয়: দৈহিক | দ্বারে থাকে যে: দৌবারিক | দিনে একবার আহার করে যে: একাহারী |
| দমন করা যায় না যাকে :অদম্য | দমন করা কষ্টকর যাকে: দুর্দমনীয় | দুয়ের মধ্যে একটি: অন্যতর |
| ধুর (তীক্ষ্ণ বুদ্ধি) ধারণ করে যে : ধুরন্ধর | নদী মাতা যার: নদীমাতৃক | ধর্মীয় কাজ করার জন্য তীর্থভ্রমণ: প্রব্রজ্যা |
| নিজেকে বড় ভাবে যে: হামবড়া | ধর্মপুরুষ বা সন্ন্যাসীর পর্যটন: পরিব্রাজন | নদী ভাঙনে সর্বস্বান্ত জনগণ: নদী সিকস্তি |
| নদী মেখলা যে দেশের: নদীমেখলা | নিশাকালে চরে বেড়ায় যে: নিশাচর | নৌকা দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে যে: নাবিক |
| ন্যায় শাস্ত্র জানেন যিনি: নৈয়ায়িক | পা থেকে মাথা পর্যন্ত: আপাদমস্তক | পাঠ করিতে হইবে এমন: পঠিতব্য |
| পরকাল সম্পর্কিত: পারলৌকিক | পা ধুইবার জল: পাদ্য | প্রকাশিত হইবে এমন: প্রকাশিতব্য |
| পিতার ভ্রাতা: পিতৃব্য | পথ চলার খরচ: পাথেয় | পূর্ব ও পরের অবস্থা: পৌর্বাপর্য |
| পঙ্ক্তিতে বসার অনুপযুক্ত: অপাঙ্ক্তেয় | পরস্পর আঘাত: সংঘর্ষ | পুণ্যকর্ম সম্পাদনের জন্য শুভ দিন: পুণ্যাহ |
| পৌষ মাসে উৎপন্ন ফসল: পৌষালি | ফুল হইতে তৈরি: ফুলেল | বাতাসে (ক-তে) চরে যে: কপোত |
| বুঝিতে পারা যায় এমন: বোধগম্য | বিদেশে থাকে যে: প্রবাসী | বেতন নেয়া হয় না যাতে: অবৈতনিক |
| বেলাকে অতিক্রান্ত: উদ্বেল | বৃষ্টির জল: শীকর | বহুর মধ্যে একটি: অন্যতম |
| ভুলহীন ঋষি বাক্য: আপ্তবাক্য | মৃত্তিকা দ্বারা নির্মিত বা তৈরি: মৃন্ময় | মর্মকে পীড়া দেয় যা: মর্মান্তিক / মর্মন্তুদ |
| মর্মভেদ করিয়া যায় যাহা: মর্মভেদী | মধু পান করে যে: মধুকর | মর্মকে স্পর্শ করে এমন: মর্মস্পর্শী |
| মোটাও নয়, রোগাও নয়: দোহারা | মাসের শেষ দিন: সংক্রান্তি | মাটিতে গড়াগড়ি দিচ্ছে এমন : উপাবৃত্ত |
| মাটির মত রং যার: মেটে | মায়া (ছল) জানে না যে: অমায়িক | মাছিও প্রবেশ করে না যেখানে: নির্মক্ষিক |
| যা স্থলে চরে: স্থলচর | যা জলে চরে : জলচর | যা জলে ও স্থলে চরে: উভচর |
| যা কাঁপছে: কম্পমান | যা গতিশীল: জঙ্গম | যা বার বার দুলছে: দোদুল্যমান |
| যা গতিশীল নয়: স্থাবর | যা বপন কর হয়েছে: উপ্ত | যা চিন্তা করা যায় না: অচিন্তনীয় / অচিন্ত্য |
| যা লাভ করা দুঃসাধ্য: সাধ্যাতীত | যা অবশ্যই ঘটবে: অবশ্যম্ভাবী | যা আঘাত পায়নি: অনাহত |
| যা ধারণ বা পোষণ করে: ধর্ম | যা আহুত (ডাকা) হয়নি: অনাহুত | যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয়: নাতিশীতোষ্ণ |
| যা অধ্যয়ন করা হয়েছে: অধীত | যা আহুত (ডাকা) হয়নি: অনাহুত | যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে: অযত্নলব্ধ |
| যা বহুকাল হতে চলে আসছে : চিরন্তন | যা হেমন্তকালে জন্মে: হৈমন্তিক | যা সহজেই ভেঙ্গে যায়: ভঙ্গুর / ঠুনকো |
| যা বিশ্বাস করা যায় না: অবিশ্বাস্য | যা বালকের মধ্যেই সুলভ: বালসুলভ | যা মুষ্টি দ্বারা পরিমাণ করা যায়: মুষ্টিমেয় |
| যা অতি দীর্ঘ নয়: নাতিদীর্ঘ | যা প্রমাণ করা যায় না: অপ্রমেয় | যা অপনয়ন (দূর) করা যায় না: অনপনেয় |
| যা অস্ত যাচ্ছে: অস্তায়মান | যা উচ্চারণ করা যায় না: অনুচ্চার্য | যা উচ্চারণ করা কঠিন: দুরুচ্চার্য |
| যা আগুনে পোড়ে না: অগ্নিসহ | যা বহন করা হচ্ছে: নীয়মান | যা অনুভব করা হচ্ছে: অনুভূয়মান |
| যা উপলব্ধি করা হচ্ছে: উপলভ্যমান | যা পুনঃ পুনঃ দুলছে: দোদুল্যমান | যা পুনঃ পুনঃ দীপ্তি পাচ্ছে: দেদীপ্যমান |
| যা দীপ্তি পাচ্ছে: দেদীপ্যমান | যা নিজের দ্বারা অর্জিত: স্বোপার্জিত | যা মাটি ভেদ করিয়া উপরে উঠে: উদ্ভিদ |
| যার অন্য উপায় নাই: অনন্যোপায় | যার কিছুই নেই: নিঃস্ব | যা শল্য ব্যথা দূরীকৃত করে: বিশল্যকরণী |
| যার বিশেষ খ্যাতি আছে: বিখ্যাত | যার কোনো উপায় নাই: নিরুপায় | যার আগমনের কোনো তিথি নেই: অতিথি |
| যার খ্যাতি আছে: খ্যাতিমান | যার তুলনা নাই: অতুলনীয় | যার আকার কুৎসিত: কদাকার |
| যার দুই হাত সমান চলে: সব্যসাচী | যার উদ্দেশ্যে পত্রটি রচিত: প্রাপক | যার বরাহের (শূকর) মতো খুর: বরাখুর |
| যার বেশবাস সংবৃত নয়: অসংবৃত | যার পুত্র নেই: অপুত্রক | যার দাড়ি-গোঁফ উঠেনি: অজাতশ্মশ্রু |
| যার দুটি মাত্র দাঁত: দ্বিরদ (হাতি) | যার চার দিকে স্থল: হ্রদ | যার দুই দিক বা চার দিকে জল: দ্বীপ |
| যার অর্থ নেই: অর্থহীন | যে মেঘে প্রচুর বৃষ্টি হয়: সংবর্ত | যার কোনো কিছু থেকেই ভয় নেই: অকুতোভয় |
| যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায়: সর্বংসহা | যে জয় লাভে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ: সংশপ্তক | যে বিষয়ে মতভেদ নেই এমন: ঐকমত্য |
| যে শুনেই মনে রাখতে পারে: শ্রুতিধর | যে পরের গুণেও দোষ ধরে: অসূয়ক | যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ: শ্বাপদসংকুল |
| যে আকৃষ্ট হচ্ছে: কৃষ্যমাণ | যে তির নিক্ষেপে পটু: তিরন্দাজ | যে সুপথ থেকে কুপথে যায়: উন্মার্গগামী |
| যে অন্য দিকে মন দেয় না: অনন্যমনা | যে বিদ্যা লাভ করেছে: কৃতবিদ্য | যে দিন তিন তিথির মিলন ঘটে: ত্র্যহস্পর্শ |
| যে আলোতে কুমুদ ফোটে: কৌমুদ | যে প্রবীণ নয়: নবীন | যে গাঁজায় নেশা করে: গেঁজেল |
| যে রব শুনে এসেছে: রবাহুত | যিনি প্রথম পথ দেখান: পথিকৃৎ | যে বিবেচনা না করে কাজ করে: অবিবেচক |
| যেখানে মৃত জন্তু ফেলা হয়: ভাগাড় | যিনি সব জানেন: সবজান্তা | যে ক্রমাগত রোদন করেছে: রোরূদ্যমান |
| যিনি বক্তৃতা দানে পটু: বাগ্মী | যুদ্ধে স্থির থাকেন যিনি: যুধিষ্ঠির | যুদ্ধ থেকে যে বীর পালায় না: সংশপ্তক |
| যিনি অতিশয় হিসাবি: পাটোয়ারি | রোদে শুকানো আম: আমশি | যুক্তি সংগত নয়: অযৌক্তিক |
| রাহ্ বা রাস্তায় ডাকাতি: রাহাজানি | রেশম দিয়ে নির্মিত: রেশমি | শ্রম করিতে কষ্টবোধ করে যে: শ্রমকাতর |
| লবণ কম দেওয়া হয়েছে এমন: আলুনি | শোনা যায় এমন: শ্রুতিগ্রাহ্য | শুনিতে পারা যায় এমন: শ্রবণীয়/ শ্রাব্য |
| শত্রুকে বধ করে যে: শত্রুঘ্ন | শত্রুকে পীড়া দেয় যে: পরন্তপ | শক্তিকে অতিক্রম না করিয়া: যথাশক্তি |
| শক্তির উপাসনা করে যে: শাক্ত | শ্রম করিতে চাহে না যে: শ্রমবিমুখ | সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা: প্রত্যুদগমন |
| শোনামাত্র যার মনে থাকে: শ্রুতিধর | শত্রুকে হত্যা করেন যিনি: শত্রুঘ্ন | সদ্য দোহনকৃত উষ্ণ দুধ: ধারোষ্ণ |
| সমুদ্রের ঢেউ: ঊর্মি | সজ্ঞানে অন্যায় করে যে: জ্ঞানপাপী | সমুদ্র হতে হিমাচল পর্যন্ত: আসমুদ্রহিমাচল |
| সৈনিকদলের বিশ্রাম শিবির: স্কন্দাবার | স্তন পান করে যে: স্তন্যপায়ী | সবকিছু সহ্য করেন যিনি: সর্বংসহা |
| স্বামীর চিতায় পুড়ে মরা: সহমরণ | স্বাদ গ্রহণ করা হয়েছে এমন: স্বাদিত | হাতির পিঠে আরোহী বসার স্থান: হাওদা |
| হরেক রকম কথা বলে যে: হরবোলা | হিরণ্য / স্বর্ণ দ্বারা নির্মিত: হিরন্ময় | হয়তো হবে: সম্ভাব্য |
| হাতির বাসস্থান: গজগৃহ | হিত ইচ্ছা করে যে: হিতৈষী | হেমন্তকালে উৎপন্ন ফসল: হৈমন্তিক |
| স্বার্থের জন্য অন্যায় অর্থ প্রদান (ঘুষ): উপদা | সূর্যোদয় থেকে পরবর্তী সূর্যোদয় পর্যন্ত: সাবন | |
| অনায়াসে লাভ করা যায় যাহা: অনায়াসলভ্য | অন্যের অপেক্ষা করতে হয় না যাকে: অনপেক্ষ | |
| অকর্মণ্য গবাদি পশু রাখার স্থান: পিঁজরাপোল | অন্যের মনোরঞ্জনের জন্য অসত্য ভাষণ: উপচার | |
| অষ্টপ্রহর (সারাদিন) ব্যবহার্য যা : আটপৌরে | অভ্র (মেঘ) লেহন / স্পর্শ করে যা : অভ্রংলিহ | |
| অর্থ উপার্জন করা যায় যে ফসল হইতে : অর্থকরী | অগ্রহায়ণ মাসে সন্ধ্যাকালীন ব্রত (কুমারীদের): সেঁজুতি | |
| অহং বা আত্ম সম্পর্কে অতিশয় সচেতনতা: অহমিকা | অকালে যাকে জাগরণ করা হয় : অকালবোধন | |
| অন্তরে জল আছে এমন যে (নদী): অন্তঃসলিলা | অন্ন গ্রহণ করিয়া যে প্রাণধারণ করে: অন্নগত প্রাণ | |
| আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত: আদ্যন্ত / আদ্যোপান্ত | আভিজাত্যপূর্ণ মনে হলেও আসলে অর্থহীন ও বিভ্রান্তিকর: হিংটিংছট্ | |
| আকাশে (খ-তে) চড়ে বেড়ায় যে: আকাশচারী / খেচর | আশি বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তি: অশীতিপর | |
| আশীর্বাদ ও অভয়দানসূচক হাতের মুদ্রা: বরাভয় | আল্লাহর দ্বীন/ইসলাম কায়েম ও রক্ষার জন্য যিনি যুদ্ধে নিহত হন: শহিদ | |
| ইহলোকে যা সাধারণ / সামান্য নয়: অলোকসামান্য | ঋণ শোধের জন্য যে ঋণ করা হয় : ঋণার্ণ | |
| ঋতুতে ঋতুতে যজ্ঞ করেন যিনি: ঋত্বিক | এখনও শত্রু জন্মায় নাই যাহার: অজাতশত্রু | |
| কথার মধ্যে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র প্রসঙ্গ বা প্রবচনাদি প্রয়োগ: বুক্নি | কোনটা দিক / বিদিগ এই জ্ঞান নাই যাহার: দ্বিগ্বিদিগজ্ঞানশূন্য | |
| কি করতে হবে তা বুঝতে না পারা: কিংকর্তব্যবিমূঢ় | কোনো কিছু থেকে যার ভয় নেই: অকুতোভয় | |
| কর্ম সম্পাদনে অতিশয় দক্ষ/পরিশ্রমী: কর্মঠ | জ্ঞান লাভ করা যায় যে ইন্দ্রিয় দ্বারা: জ্ঞানেন্দ্রিয় | |
| চারি শাখা- হস্তী, অশ্ব, রথ ও পদাতিক বিশিষ্ট সেনা: চতুরঙ্গ | দান গ্রহণ করা উচিৎ নয় যার থেকে: অপ্রতিগৃহ্য | |
| জলপানের জন্য দেয় অর্থ: জলপানি (বৃত্তি) | নিতান্ত দগ্ধ হয় যে সময়ে (গ্রীষ্মকাল): নিদাঘ | |
| ত্রিকালের ঘটনা জানেন যিনি: ত্রিকালদর্শী / ত্রিকালজ্ঞ | বড় ভাই থাকতে ছোট ভাইয়ের বিয়ে: পরিবেদন | |
| প্রাণ ওষ্ঠাগত হবার মতো অবস্থা: লবেজান | বহু দেখেছে যে / অনেক বিষয়ে অভিজ্ঞ যিনি: বহুদর্শী | |
| বহু ঘর থেকে ভিক্ষা সংগ্রহ করা: মাধুকরী / মধুকরী | মান্যব্যক্তিকে অভ্যর্থনার জন্য কিছুদূর এগিয়ে যাওয়া: প্রত্যুদগমন | |
| বন্দুক বা তির ছোঁড়ার অনুশীলনের জন্য স্থাপিত লক্ষ্য: চাঁদমারি | মান্যব্যক্তি বিদায়কালে কিছুদূর এগিয়ে দেওয়া: অনুব্রজন | |
| যা অপনয়ন (দূর) করা কষ্টকর: দূরপনেয় | যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না: অনন্য সাধারণ | |
| যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে / যার কিছু নাই: সর্বহারা / হৃতসর্বস্ব | যা তর্কের দ্বারা মীমাংসা করা যায় না: অপ্রত্য | |
| যে বিষয়ে কোনো বিতর্ক / বিরোধ নেই: অবিসংবাদী | যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না: অজ্ঞাতকুলশীল | |
| যে গাভী প্রসবও করে না, দুধও দেয় না : গোবশা | যে রোগ নির্ণয় করতে হাতড়িয়ে ক্লান্ত: হাতুড়ে | |
| যে এক দরজা থেকে অন্য দরজায় ভিক্ষা করে: মাধুকরী | যে গৃহের বাইরে রাত্রিযাপন করতে ভালোবাসে: বারমুখো | |
| যাহা লোকে প্রায় ভুলিয়া গিয়েছে: বিস্মৃতপ্রায় | যাদের বসতবাড়ি আছে কিন্তু কৃষি জমি নেই: ভূমিহীন চাষী | |
| স্বপ্নে (ঘুমে) শিশুর স্বগত হাসি-কান্না: দেয়ালা | স্বমত অন্যের উপর চাপিয়ে দেয় যে : স্বৈরাচারী | |
| সূর্যের ভ্রমণপথের অংশ বা পরিমাণ: অয়নাংশ | সম্পূর্ণরূপে বিবেচনা করা হয় নাই এমন: অসমীক্ষিত | |
| সর্বদা ইতস্তত ঘুরিয়া বেড়াইতেছে: সততসঞ্চরমান | সূর্যোদয়ের অব্যবহিত পূর্ববর্তী দুই দণ্ডকাল: ব্রাহ্মমুহূর্ত | |
| জাগিয়া রহিয়াছে এমন: জাগন্ত / জাগরুক জ্বলছে যে অর্চি (শিখা): জ্বলদর্চি | মিলনের ইচ্ছায় নায়ক বা নায়িকার সঙ্কেত স্থানে গমন: অভিসার | |
| যে লেখক অন্যের ভাব, ভাষা প্রভৃতি চুরি করে নিজের নামে চালায়: কুম্ভীলক | ||
Content added By
Content updated By
# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন
বিবৎসা
জিগমিষা
বিবমিষা
বিবিক্ষা
অন্যদেশে থাকেন যিনি
অন্যদেশী
বিদেশে কাজ করেন
বিদেশে থাকে যে
অগণ্য
নগণ্য
অপরিমিত
অসংখ্য
বক্তা
বাগ্মী
বাচাল
মিতভাষী
বিদ্বান
বিদ্ধার্থ
কৃতবিদ্যা
বুদ্ধিমান